কীভাবে দেখে? | ইসলামী বিশ্বকোষ ও আল-হাদিস

খাঁটি শিয়ারা সূফিপন্থীদের আসলে কীভাবে দেখে?
-----
আগেই বলেছি, এই কথাগুলো তিক্ত। কারণ মন তিক্ত হয়ে আছে। কাজকাম কিছু করি না, কষ্ট করে দাঁড় করানো প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা ফেলে রেখে পঁচাচ্ছি, দিনরাত এইসব লিখি।

আমরা তো সব মতের তালেবরদের ভিডিও দেখি, লেখা পড়ি। দেখতে হয়, পড়তে হয়। আমি দুধ মাখা ভাত না, যে আমার ঈমান কাকে খাবে। এইজন্য নাস্তিকদের রাসূল দ. বিষয়ক ভয়ানক সমালোচনাও অবলীলায় পড়ি ও দেখি।

শিয়া তালেবরদের যে ঔদ্ধত্য সূফিদের প্রতি, এটা কল্পনাতীত।
তারা কিন্তু নিজেদের ইনফিরিওর ভাবে সুন্নি মতাদর্শের কাছে। তাদের প্রতিটা বক্তব্যে, প্রতিটা পদক্ষেপে এটা ফুটে ওঠে।

অপরদিকে, যখন সূফিদের প্রসঙ্গ আসে, শিয়া উলামাদের দেহভঙ্গিমা এবং কণ্ঠে ফুটে উঠে ঔদ্ধত্য। সুপিরিয়রিটি।

এরা কিন্তু সূফিদের হানাফি হওয়ার দোষ দেয় না, শাফেয়ি মালেকি হাম্বলি হওয়ার দোষ দেয় না। এরা কিন্তু সূফিদের সাহাবি মানার দোষ দেয় না। হাদিস মানার দোষ দেয় না। খুলাফা মানার দোষ দেয় না।

এমনকি, এরা এটাও বলে না, যে, সূফিদের ভিতর আহলে বাইতের মুহাব্বাত নেই। এরা বলে, সূফিদের ভিতর একটু একটু আহলে বাইতের মুহাব্বাত আছে।

এমনকি এরা সূফিদের এজিদিও বলে না। এজিদি মনেও করে না। তাহলে এমন কেন?

এরা সূফিদের উলুলুলু জংলি হিসাবে দেখে এবং সেভাবেই ট্রিট করে।
কাব্বালিস্ট টাইপ মনে করে, নির্বোধ মনে করে, পৃথিবীর সব বন্য মতবাদের সংমিশ্রণ মনে করে। এই কারণে শিয়ারা সূফিদের গোণায়ও ধরে না।

এরা আমাদের গাউসে পাক জিলানী রা., খাজা মুঈন রা. থেকে শুরু করে প্রত্যেক যুগের সূফিদের বিষয়ে কী বলে এবং কী সুরে বলে সেটা দেখলে আপনাদের ঘোর ও নেশা সবই কেটে যাবে।

আমাদের শিয়াপ্রেমিক ভাইরা এটা যত দ্রুত বুঝবেন, তত মঙ্গল। আপনাদেরকে শিয়াদের সূফি বিষয়ক ভিডিও ক্লিপগুলো দেখার এবং লেখাগুলো পড়ার আহ্বান জানাই (আমাকে আবার যোগাড় করে দিতে বলেন না, আমার কাজ আছে)।