আহলে হাদিস ভ্রান্ত ফির্কা ও মাযহাব সম্পর্কিত কতিপয় প্রশ্নোত্তরঃ | ইসলামী বিশ্বকোষ

খকঃ Mahmud Hasan

পাঠককে বলাঃ আপনি যদি হক নাহক, সত্য অসত্য বুঝার জন্যে পড়েন তবে আর কিছু পড়া লাগবে না। সামান্য কথাতেই আপনি বুঝতে পারবেন কথিত আহলে হাদীস কি?

কথিত আহলে হাদীস যে, একটি ভ্রান্ত দল / বাতীল ফির্কা তা প্রমাণ করতে বেশি দূর যেতে হয় না।

১/ আহলে হাদীসদের দাবী হলো তাকলীদ করা যাবে না। তাকলীদ যারা করে তারা মুশরিকের পর্যায়ভুক্ত। তবে ইত্তিবা করা যাবে।

উত্তরঃ তাকলীদ আর ইত্তিবার মধ্যে পার্থক্য কি? তাকলীদ অর্থ অনুসরণ। ইত্তিবা অর্থও অনুসরণ।

২/ তারা বুঝাতে চায় তাকলীদ অর্থ অন্ধ অনুসরণ। আর ইত্তিবা অর্থ দলীল প্রমাণ দেখে দেখে আমল করা।

উত্তরঃ তাদের কথায় খুব রস দেখা যায়। অর্থাৎ দলীল প্রমাণ দেখেই আমল করার নাম ইত্তিবা। তারা সহীহ হাদীস দেখে দেখে আমল করেন, এটি তাদের মুখ্য দাবী।
আচ্ছা হাদীসটি যে সহীহ্ তা কি রাসূলে কারিম (صلى الله عليه و آله و سلم)  বলেছেন নাকি আল্লাহ তাআলা বলেছেন।
নাকি হাদীস গুলো নবী কারিম (صلى الله عليه و آله و سلم) দিনের কোন সময় তাদেরকে এসে বলে যান।
বরং হাদীস সহীহ হওয়া আর জয়ীফ হওয়া সবই মুহাদ্দিসের কথার উপর নির্ভর। অর্থাৎ মুহাদ্দিসগণ অন্য লোক থেকে হাদীসটি গ্রহণ করার সময় দেখেছেন সে লোকের চরিত্র কি, তার মেধা কিরকম? সে আহলে সুন্নাত জামাতের লোক কি না? না কি সে শিয়া বা খারেজী [উল্লেখ্য, সে সময় অবশ্য আহলে হাদীস ছিল না তাই মুহাদ্দিসগণ সে বিষয়ে যাচাই করেন নি। বর্তমানের কথিত আহলে হাদীসরা যদি সে যুগে থাকত তবে তাদেরকেও ঐরূপ বাতিল ফেরকায় শামিল করে তাদের বর্ণিত হাদীসকে জয়ীফ না বলে বরং মওজু বলতেন।] ইত্যাদি বাতিল ফেরকার লোক কি না। এসব যাচাই করার পর যার কাছে নিজের শর্ত অনুযায়ী সে লোককে ভাল পেয়েছেন তার কাছ থেকে হাদীস গ্রহণ করেছেন। সেরূপ হাদীস সংরক্ষণকারী লোকদের চরিত্র ইত্যাদি বিবেচনা করে যে মুহাদ্দিস যাকে ভাল পেয়েছেন তার উপর নির্ভর করে হাদীসকে সহীহ বা জয়ীফ বলে মত প্রকাশ করেছেন।
তা হলে বুঝা যায়, হাদীস জয়ীফ বা সহীহ হওয়ার মাপকাঠি হলো একমাত্র মুহাদ্দিসগণের মত। সে মতের ভিত্তিতেই হাদীস সহীহ বা জয়ীফ হওয়া। এটি এমন বিষয় যার কোন দলীল ও প্রমাণও নেই। সেরূপ মতকে অন্ধ বিশ্বাস করে কথিত আহলে হাদীসরা হাদীস মানছে।
তাকি অন্ধ বিশ্বাস নয়? তা যদি অন্ধ ব্শ্বিাস না হয় তাহলে বলেন অন্ধ বিশ্বাস আর কাকে বলে।
কোন হাদীস তো এমন নেই যে, বর্তমানেও আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসূল (صلى الله عليه و آله و سلم) এসে বলে দিচ্ছেন যে, এই হাদীসটি সহীহ এটি জয়ীফ।
তাই যদি না হবে তাহলে কোন দলীলের ভিত্তিতে তারা হাদীসগুলোকে সহীহ বা জয়ীফ বলছে।
যেহেতু হাদীছ জয়ীফ হওয়া এবং সহীহ হওয়া মুহাদ্দিসের মতের উপর নির্ভর, সে কারণে একই হাদীস এক মুহাদ্দিসের কাছে সহীহ আরেক মুহাদ্দিসের কাছে জয়ীফ বলে বিবেচিত। এখানেও মতানৈক্য (differences)। এর ভিতর কথিত আহলে হাদীসরা যদি যে কোন একজনের হাদীস গ্রহণ করে তাহলে বুঝা যায়, তারা যে কোন একটি মাযহাব গ্রহণ করল। কারণ মাযহাব মানে হলো মত।
এই আলোচনা থেকে বুঝা গেল আহলে হাদীসরা মাযহাবও মানে আবার অন্ধবিশ্বাস তথা তাকলীদও করে।

আচ্ছা দেখুনঃ তাদের তাকলীদটা বেশি অন্ধ বিশ্বাস নাকি মাযহাব যারা মানে তাদের তাকলীদটা অন্ধ বিশ্বাস।
মাযহাব যারা মানে তারা শরয়ী মাসআলার দলীল খোজতে গেলে কুরআন হাদীস সামনে আছে। সেখান থেকে দলীল খোঁজে তার মাযহাবের মতটি সঠিক না বেঠিক তা বিচার করতে পারে।
কিন্তু তথাকথিত আহলে হাদীসরা কোন দলীলের ভিত্তিতে হাদীস মানে?
কারণ যে সকল বর্ণনাকারীর চরিত্র ও মেধা ইত্যাদির উপর নির্ভর করে মুহাদ্দিসগণ হাদীসকে সহীহ বা জয়ীফ বলেছেন সে সকল রাবীতো একজনও জীবিত নেই। তাহলে তারা ঐ রাবী ভাল ছিলেন কি খারাপ ছিলেন তা জানার কোন উপায়ও নেই। তাহলে বুঝা যায় কথিত আহলে হাদীসরা যাদের মত (মাযহাব) অনুসরণ করে যাদের কথার অধীনে চলার জন্যে যাদের অন্ধ তাকলীদ করে তাদের মত প্রমাণ করার জন্য কোন দলীল পাওয়াও সম্ভব নয়। বরং দলীল প্রমাণ ছাড়াই খালেস অন্ধ বিশ্বাসের মাধ্যমেই মুহাদ্দিসের কথা মান্য করতে হচ্ছে।
এখন পাঠকগণ বিচার করুন। যারা মাযহাব মানে তাদের তাকলীদটা অন্ধ বিশ্বাস না কি কথিত আহলে হাদীসদের তাকলীদটা পুরোপুরি অন্ধ বিশ্বাস?
এখন আপনি নিজেই বলুন, তাদের ভাষায় যদি তাকলীদ করা শিরিক হয় তাহলে বড় শিরিক কারা করে? আহলে হাদীস না মাযহাবীগণ।

আরো দেখুনঃ বর্তমানে আহলে হাদীসরা হাদীসের বেলায় আলবানীকেই মানে।
কারণ যে সকল হাদীসকে আলবানী সহীহ বলেছে সেগুলোকেই তারা সহীহ বলে। বাকী সবগুলোকে তারা জয়ীফ বলে উপহাস করে।
এক নম্বরে হাদীস নিয়ে উপহাস করা ঈমান বিধ্বংসী।
দুই নম্বরে তারা ইসলাম ধর্মের চৌদ্দশ বছর পরে এসে এহেন ফিতনার যুগের কোন একজন লোককেই নিজেদের ইমাম মানছে।
আর যারা মাযহাব মানে তারা তাবেয়ী, তবে তাবেয়ীদের যুগের লোকদেরকেই মানে। যাদেরে কাছে হাদীস পৌঁছেছে মাত্র এক বা দুই মাধ্যমের দ্বারা। যাঁরা নবী কারিম (صلى الله عليه و آله و سلم) ও সাহাবী যুগের একেবারে সন্নিকটে। যাঁদের ‍যুগ যুগ ধরে ধর্মের ব্যাপারে সঠিক ও আহলে হক্ব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের ইমাম বলে সর্বজন স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। যারা ইসলাম বিরোধী যাবতীয় শক্তির সাথে মোকাবেলা করে সঠিক ইসলাম বর্তমান যুগ পর্যন্ত মুসলমানদের কাছে পৌছার ব্যবস্থা করে গেছেন।
ইসলামের সে সোনালী ব্যক্তিদেরকে কলুষিত করতে কথিত আহলে হাদীসদের এক মিনিট সময় লাগে না।
এমনকি কথিত আহলে হাদীসরা সাহাবায়ে কেরামকে পর্যন্ত মানতে নারাজ।
এক দিকে ১৩/১৪শত বছর পরের লোকের তাকলীদ করা, অপর দিকে ইসলামের সোনালী যুগের ব্যক্তিদের সমালোচনা করা, অধিকন্তু সাহাবায়ে কেরামকে না মানা- এসব তারা যে, ইসলামের মধ্যে ষড়যন্ত্রমূলক একটি দলের উৎপত্তি তার অকাট্য দলীল নয় কি?
আচ্ছা যারা তাকলীদ বা অন্ধ বিশ্বাস করেও কথায় কথায় মিথ্যা কথা বলে তাকলীদ করার কথা অস্বীকার করে এও কি তাদের গোমরাহীর দলীল নয়?
তারা যেসকল মাসআলা নিয়ে বিতর্ক করে সেগুলোর সকল প্রকার দলীল দেয়ার পর সে মাসআলা গুলোর হুকুম বের হয় হয়ত সুন্নাত বা মুস্তাহাব।
একটা মুস্তাহাবের জন্যে পুরো মুসলিম দুনিয়ায় মতপার্থক্য সৃষ্টির মত কবীরা গোনাহ করতে পারবে এর প্রমাণ কোন (সহীহ) হাদীসে আছে?
এরা বলে মাযহাব মানে মতভেদ করা।
আচ্ছা চার মাযহাব দীর্ঘ দিন থেকে চলে এসেছে। সেখানে পঞ্চম আরেকটি দল করে মতভেদ বাড়ানো কোন ধরনের ভদ্রতা বা কোন ধরনের ইসলাম পালন? তাওতো মুসলমানদের বুঝা উচিৎ।
সামান্য একথাগুলো একটু চিন্তা করলে আপনি একজন মুসলমান হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধা কোথায় যে, আহলে হাদীস মুসলমানদের মধ্যে নতুন করে মতভেদ সৃষ্টি করার জন্যই জন্ম হয়েছে। মিথ্যা কথা বলাই এদের স্বভাব। যারা সব সময় মিথ্যার মধ্যে ডুবে থাকবে, যারা ইসলামের কর্ণধার সাহাবায়ে কেরামকে পর্যন্ত মানতে রাজি হবে না, এরা আবার কি করে সঠিক ইসলামের দাবীদার হতে পারবে?

প্রিয় পাঠকঃ আশা করি কথাগুলো চিন্তা করবেন। কথিত আহলে হাদীসদের কাছ থেকে এসবের জবাব চাইবেন। তখন বুঝতে পারবেন এরা কি সঠিক ইসলামে আছে? নাকি ইসলামের নামে মুসলমানদের ধোঁকা দেয়ার জন্য মাঠে ময়দানে কাজ করছে।
আমার মতে আহলে হাদীস যে, একটি ভ্রান্ত দল তা বুঝার জন্য এর চাইতে বেশি দলীল প্রমাণ ও কথার প্রয়োজন পড়ে না।

এর বাইরে দেখতে চাইলে তাদের ইতিহাসও দেখা যায়। এরা ইংরেজ সৃষ্ট কাদিয়ানীদের মতই ইংরেজদের সৃষ্ট। সেটা দেখলে তো আর বলতেই হয় না যে, এরা ভ্রান্ত দল। বরং নিজে নিজেই বুঝে আসে।

ওয়মা আলাইনা ইল্লাল বালাগ।
________
_______________________
মাজহাবঃ
▆ প্রশ্ন হচ্ছে কার মতের নাম হানাফী মাযহাবঃ হানাফী মাযহাবের নাম হানাফী মাযহাব কেন।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1819140251734745
▆ প্রসঙ্গ : মাযহাব না মানলে বুখারী, মুসলিম মানা যায় না।
https://www.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1680169845631787
▆ মাযহাব মানলে মুশরিক হয় না; যাদের হাত ধরে ইসলাম তাঁরা সকলেই মাযহাবভূক্ত।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1666045127044259
▆ প্রসঙ্গ : সূন্নাহ্ মান্য; হাদিস নয়। সকল হাদিস, সূন্নাহ্ নয়।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1680658558916249
▆ হাদীস মানবো নাকি সুন্নাত।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1823093918006045
▆ প্রসঙ্গ : ফিত্না বা বিশৃঙখলায় আহালূস সূন্নাহ্ হওয়া বা সূন্নাহ্ আঁকড়ে ধরে থাকা।
https://www.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1681169245531847
▆ মাযহাব এত কেন।
https://www.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1743491289299642
▆ প্রসঙ্গ : দ্বীনের বুঝ (ফিক্বাহ্) অর্জনকারীদের অনূসরণ।
https://m.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1681989658783139
▆ চার মাজহাবের কোন একটি কি একক ভাবে স্বয়ং সম্পূর্ণ? বিচার বিশ্লেষণ করে একেক মাসয়ালায় একেক মাজহাব মানা যাবে কি?
https://m.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1813184972330273
▆ "সালাফী" দাবীটি ভূঁয়া (Bogus)।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1686609804987791
▆ প্রসঙ্গঃ বিয়ে; লা মাযহাবী দৃষ্টিভঙ্গী।
ওহাবী লা-মাযহাবীদের কাছে প্রশ্ন- "মাযহাব/গবেষনা অস্বীকার করে নানী, দাদী ও নাতনীকে বিবাহ করবেন? নাকি মাযহাব/গবেষনা স্বীকার করে হারাম হতে নিজকে রক্ষা করবেন?
https://m.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1813357312313039
▆ কাদের উপর তাকলীদ বা মাযহাব ওয়াজিব আর কাদের উপর ওয়াজিব নয়।
https://m.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1813367185645385
▆ লা-মাযহাবীদের অবস্থা।
https://m.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1813387635643340
▆ সাহাবাযুগে তাকলিদ বা মাজহাব বা অনূসরণ
প্রশ্নঃ লা মাযহাবী শেখের মুরিদ / মুকাল্লিদেরা বলে থাকে, সাহাবা যুগে তাকলিদ ছিলনা। তাই আমরা ও কারো তাকলিদ করবোনা। মাজহাব মানব না। এটা কি ঠিক ?
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1813421288973308
▆ চার মাযহাবের উপর ইজমা হওয়ার প্রমাণ, ইমাম মাহদী (আঃ) ও হযরত ঈসা ইবনে মারইয়াম (আঃ) এঁর মাযহাব কী হবে এবং নাজাতপ্রাপ্ত দল কারা?
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1813948172253953
▆ আহলে হাদীস তথা লা মাজহাবীদের কাছে ১০টি প্রশ্ন।
[কোরআন ও সহীহ্ হাদিসের শব্দ, কোন ব্যক্তির শব্দ অগ্রহণীয়।]
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1811851752463595
▆ মাজহাব কি ও কেন? মাজহাব মানার কি কোন প্রয়োজন আছে? সাহাবী যুগে কি কোন মাযহাব ছিলো?
https://m.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1814310098884427
▆ কুরআন-সুন্নাহ থাকতে মাযহাব কেনঃ সরল মূল্যায়ণ।
https://m.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1814458098869627
▆ কুরআন-হাদীসের আমলের ক্ষেত্রে আহলে হাদীস ও হানাফীদের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1822773314704772
_________
▆ হযরত শায়েখ আব্দুল কাদীর জিলানী রহঃ এবং গায়রে মুকাল্লিদ সম্প্রদায়।
https://m.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1866138450368258
_________
তারা আসলে খেলাফী (বিরুদ্ধাচরণকারী); নামেই কেবল সালাফী।
আসুন জানি,
- সত্যিকারার্থে আহলে হাদীস কারা?
- সালাফী দাবির সার্থকতা কতটুকু?
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1868433216805448
______________
কুরআন ও হাদিসের সঠিক বুঝ তথা ফিক্বাহ্ শাস্ত্রের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1876295672685869
___________
শুধু তরজমা-অনুবাদ পড়ে আমল করা গোমরাহীর কারণঃ ক্বুরআ'ন ও হাদিস।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1878001909181912
____________
"আহলে হাদিস" এর অভিধানিক অর্থ ও নামটির গোঁমড় ফাঁস; প্রেক্ষিত- অভিধানিক অর্থের অজুহাতে নামাজের কিরাআত বিষয়ে তাদের অসাড় আপত্তি।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1879998358982267
___________
ফোনে ধরা খেয়ে পালিয়ে গেল শেখ আব্দুর রাজ্জাক।
\চরম বিনোদন/
https://m.youtube.com/watch?v=Bwbc_Wtt_90
________
ইমাম আবূ হানীফা রহঃ এঁর মৃত্যুর অনেক পরে লিখিত "হেদায়া, কুদুরী ইত্যাদি" কিতাব ও ফিক্বহে হানাফী।
https://m.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1881069372208499
____________
বাতীল ৭২ ফির্কার ১টি ব্রিটিশ উপনিবেশের উপজাত, ব্রিটিশ রেজিষ্টার্ড ব্রিটিশ ফির্কাঃ আহলে হাদিস আহলে ইসলাম নয়।
https://mbasic.facebook.com/hasan.mahmud/posts/1873728326275937
____________