(১) 


لاَ اِلَهَ اِلاَّ اللهُ مُحَمَّدُ رَّسُوْ لُ الله


উচ্চারণঃ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)


অর্থঃ আল্লাহ ছাড়া আর কোন মা'বুদ নাই। হযরত মুহাম্মদ (ﷺ) আল্লাহর প্রেরিত রাসূল।


(২)


سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم


উচ্চারণ : সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজিম।


অর্থঃ আল্লাহ সুমহান এবং সকল প্রশংসা তারই। আল্লাহ সুমহান যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।


(৩) سُبْحَانَ ٱللَّٰهِ


উচ্চারণঃ সুবহানাল্লাহ 

অর্থঃ আল্লাহ মহিমান্বিত।


(৪) ٱلْحَمْدُ لِلَّٰهِ


উচ্চারণঃ আলহামদুলিল্লাহ। 

অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহর।


(৫)  ٱللَّٰهُ أَكْبَرُ 

উচ্চারণঃ আল্লাহু আকবার।

অর্থঃ আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ। 


(৬)

أَسْتَغْفِرُ اللهَ

উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লাহ

অর্থঃ আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি।


(৭) জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়াঃ

 اللَّهُمَّ أَجِرْنِى مِنَ النَّارِ

উচ্চারণ: বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান নার।


৮) কেয়ামতের দিন হিসাব সহজ হওয়ার দোয়াঃ

اللَّهُمَّ حَاسِبْنِي حِسَابًا يَسِيرًا

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা হাসিবনি হিসাবাই ইয়াসিরা’।

অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমার হিসাবকে সহজ করে দিন।


৯) জান্নাতের গুপ্তধনঃ

 لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللهِ 

(লা হাওলা অলা ক্বুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ)


অর্থঃ আল্লাহ ব্যতীত অনিষ্ট দূর করার এবং কল্যাণ লাভের কোনো শক্তি কারো নেই।


(১০) 


حَسْبُنَا اللَّهُ وَنِعْمَ الْوَكِيلُ، نِعْمَ الْمَوْلَىٰ وَنِعْمَ النَّصِيرُ


উচ্চারণঃ হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল, নি’মাল মাওলা ওয়া নি’মান-নাসির।’


অর্থঃ আল্লাহ তাআলাই আমাদের জন্য যথেষ্ট, তিনিই হলেন উত্তম কর্মবিধায়ক; আল্লাহ তাআলাই হচ্ছে উত্তম অভিভাবক এবং উত্তম সাহায্যকারী।


ফজিলতঃ যেকোনো বিপদের সম্মুখীন হলে উল্লিখিত দোয়া বেশি বেশি পড়তে পারেন। এটি সূরা আলে ইমরানের ১৭৩ নম্বর আয়াত এবং সুরা আনফালের ৪০ নম্বর  আয়াত, আবার সুরা হজের ৭৮ নম্বর আয়াত অংশের মিলিত রূপ।


১০) মাগফিরাত লাভের দোয়া ও লাইলাতুল কদরের দোয়াঃ


اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي

 

উচ্চারণ: 

‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি।’


অর্থ: 

‘হে আল্লাহ, আপনি মহানুভব ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে পছন্দ করেন, অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।’ 


১১) প্রিয় নবীর নৈকট্য লাভের উপায়:-


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ مُحَمَّدٍ كَاَ تُحِبُّ وَتَرْضٰى لَهٗ


আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিন কামা তুহিব্বু ওয়া ত্বারদ্বা লাহু।


১২) কাদেরীয়া তরীকার শ্রেষ্ঠ দুরূদ শরীফ:-


اَللَّهُمَّ صَلِّ عَليٰ سَيِّدِنَا مَوْلَانَا مُحَمَّدٍ وَعَليٰ اٰلِ سَيِّدِنَا مَوْلَانَا مُحَمَّدٍ وَبَارِكْ وَسَلِّمْ-


আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা সয়্যিদিনা মাওলানা মুহাম্মাদিন ওয়ালা আ-লি সয়্যিদিনা মাওলানা মুহাম্মাদিন ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম।


ফযিলত: এই দুরূদ শরীফ সকাল ও সন্ধ্যা একশত বার পাঠ করলে বালা মুছিবত দূর হয়।


১৩) জিয়ারতে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম:-


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ رُوْحِ مُحَمَّدٍ فِي اَلْاَرْوَاحِ وَعَليٰ جَسَدِهِ فِي اَلْاَجْسَادِ وَعَليٰ قَبَرِهِ فِي الْقُبُوْرِ-


(আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা রুহি মুহাম্মাদিন্ ফিল আর ওয়াহি ওয়ালা জাসাদিহি ফিল আজসা-দি ওয়ালা ক্ববরিহি ফিল ক্বুবুর)


১৪) যেকোন সমস্যা সমাধানের জন্য পড়ুন:-


قَلَّتْ حِيْلَتِيْ اَنْتَ وَسِيْلَتِيْ اَدْرِكْنِي يَا رَسُولَ اللهِ صَلَّي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ


ক্বল্লাত হিলাতী আন্তা ওয়াসিলাতি আদ্ রিকনি ইয়া রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।


ফযিলত: যেকোন সমস্যার সমাধানের জন্য পড়ুন ইনশাআল্লাহ বৃথা যাবে না।


১৫) দরুদে গাউসিয়া:


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ سَيِّدِنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدٍ مَّعْدَنِ الْجُوْدِ وَالْكَرَمِ وَاٰلِهٖ وَبَارِكْ وَسَلِّمْ-


আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা সয়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিম মাআদিনিল যুদি ওয়াল কারামি ওয়া আলিহি ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম।


ফযিলত: এ দুরূদ শরীফ পাঠ করলে- ১.জীবিকায় বরকত হবে ২.সমস্ত কাজ সহজ হবে ৩.মৃত্যুকালে কলেমা নসীব হবে ৪.প্রাণ সহজে বের হবে ৫.কবর প্রশস্ত হবে ৬.কারো মুখাপেক্ষী থাকবেনা ৭.আল্লাহর সৃষ্টি তাকে ভালোবাসবে।


১৬) মুখের দুর্গন্ধ দূর করার উপায়:-


اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلىٰ النَّبِيِّ الطَّاهِرِ


আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আলান নবিয়্যিত ত্বাহিরি।


ফযিলত: এক নিশ্বাসে ১১বার এই দুরূদ শরীফ পাঠ করলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়।


১৭) বৃষ্টির সময় এই দুরূদ শরীফ পড়া উত্তম:-


اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَّسَلِّمْ عَلىٰ سَيِّدِنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدٍ وَّ علىٰ اٰلِهٖ سَيِّدِنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدٍ بِعَدَدِ قَطْرَاتِ الْأَمْطَارِ


আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা সাইয়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলিহি সাইয়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন্ বি আদাদি ক্বাতরাতিল আমতার। 


ফযিলত: বৃষ্টি আসার সময় এই দুরূদ শরীফ পাঠ করলে যতগুলো ফোটা মাটিতে পড়ে ততগুলো ছাওয়াব পাওয়া যাবে।


১৮. উভয় জাহানের নেয়ামত অর্জন:-


اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَّسَلِّمْ وَبَارِكْ عَليٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍوَّعَليٰ اٰلِهٖ عَدَدَ اِنْعَامِ اللهِ وَاَفْضَالِهٖ


আল্লাহুম্মা ছাল্লি ওয়া সাল্লিম ওয়া বারিক আলা সায়্যিদিনা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলিহি আদাদা ইনআমিল্লাহি ওয়া আফদ্বালিহি।


ফযিলত: এই দুরূদ শরীফ পড়লে অগণিত নেয়ামত অর্জিত হয়।


১৯) আশি বছরের গুনাহ মাফ:


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلىٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدِنِ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ وَعَلىٰ اٰلِهٖ وَسَلِّمْ


আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিই ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লিম।


ফযিলত: রাসূলে পাক ইরশাদ ফরমান যে ব্যক্তি জুমার দিন আছরের পর ৮০বার এই দুরূদ শরীফ পড়বে আল্লাহ তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন।


২০) মাগফিরাতের দুরূদ শরীফ:


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلىٰ سَيِّدِنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدٍ وَعَلىٰ اٰلِهٖ وَسَلِّمْ


আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিও ওয়া আলা আলিহি ওয়া সাল্লিম।


২১) সারাদিন দুরূদ শরীফ পড়ার ছাওয়াব:


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ سَيِّدَنَا مُحَمَّدٍ فِي اَوَّلِ كَاَيمِنَا اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ فِي اَوْسَطِ كَاَ مِنَا اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ فِي اۤخِرِ كَاَ مِنَا


আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা সইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ফি আউয়ালি কালামিনা। আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা সইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ফি আওসাতি কালামিনা। আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা সইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন ফি আখিরি কালামিনা।


২২) দরুদে রযভিয়্যাহ:


صَلَّي اللهُ عَليٰ النَّبِيِّ الْاُمِّيِّ وَاٰلِهٖ صَلَّي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلِّمْ صَلوٰةً وَّسَلاماً عَلَيْكَ يَا رَسُوْلَ الله-


ছাল্লাল্লাহু আলান নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলিহি ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছালাতাও ওয়া সালামান আলাইকা ইয়া রাসুলাল্লাহ।


ফযিলত: এ দুরূদ শরীফ প্রত্যেক নামায ও জুমার নামাযের পর খাস করে মদীনা মনোয়ারার দিকে মুখ করে ১০০ বার পাঠ করলে অগণিত ফযিলত অর্জন হয়।


২৩) দরূদে মাহীঃ 


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ خَيْرِ الْخَلَائِقِ اَفْضَلِ الْبَشَرِ شَفِيْعِ اْلاُمَّةِ يَوْمِ الْحَشَرِ وَالنَّشَرِسَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ بِعَدَدِ كُلِّ مَعْلُوْمِ لَّكَ وَصَلِّ عَليٰ جَمِيْعِ اْلاَنْۭبِيَاءِ وَالْمُرْسَلِيْنَ وَالْمَلۤائِكَةِ الْمُقَرَّبِيْنَ وَعَليٰ عِبَادِ اللهِ الصَّالِحِيْنَ وَارْحَمْنَا مَعَهُمْ بِرَحْمَتِكَ يَا اَرْحَمَ الرَّحِمِيْنَ-


আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন খাইরিল খালায়িক্বি আফদ্বালিল বাশারি শাফীয়িল উম্মাতি ইয়াওমিল হাশারি ওয়ান্নাশরি সইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিম্ বিআদাদি কুল্লি মালুমিল্লাকা ওয়া সাল্লি আলা জমীয়িল আম্বিয়ায়ি ওয়াল মুরসালীনা ওয়াল মালায়িকাতিল মুক্বাররাবীনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্ সালিহীনা ওয়ারহামনা মাআ'হুম বিরহমাতিকা ইয়া আরহামার রহিমীনা।


ফযিলত: খুব কঠিন বিপদে কিংবা দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হলে ক্রমবৃদ্ধি করে ২১ দিন বা ৪১ দিনে সোয়া লক্ষ বার এই দুরূদ শরীফ পড়িলে সাথে সাথে ফল পাওয়া যায়।


২৪) দরূদে খাইর:


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ سَيِّدِنَا وَنَبِيِّنَا وَشَفِيْعِنَا وَمَوْلَآنَا مُحَمَّدٍ صَلَّي اللهَ عَلَيْهِ وَعَليٰ اٰلِهٖ وَاَصْحَابِهِ وَاَزْوَاجِهِ وَبَارِكْ وَسَلِّمْ


আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সইয়্যিদিনা ওয়া নাবিয়্যিনা ওয়া শাফীয়িনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলা আলিহী ওয়া আসহাবিহী ওয়া আযওয়াজিহী ওয়া বারিক ওয়া সাল্লিম।


ফযিলত: যিনি সর্বদা এই দুরূদ শরীফ আমল করবেন- তিনি অবশ্যই দেশের সর্দার হবেন। যদি তা না হয়, তবে অন্তত স্বীয় বংশের সর্দার রূপে বা শ্রেষ্ঠ ধনী রূপে ইজ্জত পাবেন। প্রত্যহ চাশ্ত নামাযের পর ২১বার পড়লে ইন্শাআল্লাহ ধনী হয়ে যাবে।


২৫) দরূদে রুইয়াতে নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম):


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍنِ النَّبِيِّ اْلاُمِيِّ


আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সাইয়্যিদিনা মুহাম্মাদিন নিন্নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি।


ফযিলত: হযরত শেখ আব্দুল কাদের জিলানী (রা:) বা বড় পীর (রা:) গুনিয়াতুত্তালিবীন এ লিখেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমার রাতে দুই রাকাত নফল নামাজ এই নিয়্যতে পড়ে যে, প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহার পর ১বার আয়াতুল কুরসী ও ১৫বার সূরা ইখলাস এবং নামাজ শেষে এই দুরূদ শরীফ ১০০০ বার পড়বে অবশ্যই সে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখতে পাবে। যদি ঐ রাতে না দেখে তবে ২য় শুক্রবার আসার পূর্বে দেখতে পাবে। এবং তার সমস্ত গুনাহ মাফ হয়ে যাবে।


২৬) সাইয়্যেদা ফাতিমা (রা:) রচিত দুরূদ শরীফ:-


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ مَنْ رُوْحُهُ مِحْرَابُ الْأَرْوَاحِ وَالْمَلٰئِكَةِ وَالْكَوْنِ- اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ مَنْ هُوَ اِمَامُ اْلاَنْبِيَاءِ وَالُمُرْسَلِيْنَ- اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَليٰ مَنْ هُوَ اِمَامُ اَهْلِ الْجَنَّةِ عِبَادَ اللهِ الْمُؤْمِنِيْنَ


(আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মান রুহুহু মিহরাবুল আরওয়াহি ওয়াল মলাইকাতি ওয়াল কাউনি। আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মানহুয়া ইমামুল আম্বিয়ায়ি ওয়াল মুরসালীনা। আল্লাহুম্মা ছাল্লি আলা মানহুয়া ইমামু আহলিল জান্নাতি ইবাদিল্লাহিল মুমিনীন।)


২৭) দুনিয়াতে জান্নাত দেখার দুরূদ শরীফ:


صَلَّى اللهُ عَليٰ حَبِيْبِهٖ مُحَمَّدٍ وَاٰلِهٖ وَسلَّمَ


ছাল্লাল্লাহু আলা হাবীবিহী মুহাম্মাদিন ওয়া আলিহী ওয়াসাল্লিম।


ফযিলত: যে ব্যক্তি এই দুরূদ শরীফ একাধারে এক হাজার বার পাঠ করবে, তার মৃত্যুর পূর্বে সে অবশ্যই জান্নাতে তার স্থান ও জান্নাতের ঘর দেখতে পাবে।


২৮) দরূদে তাজ:


اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلىٰ سَيِّدِنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدٍ صَاحِبِ التَّاجِ وَالْمِعْرَاجِ وَالْبُرَاقِ وَالْعَلَمِ دَافِعِ الْبَلَاءِ وَالْوَبَاءِ وَالْقَحَطِ وَالْمَرَضِ وَالاَلَمِ اِسْمُهُ مَكْتُوْبٌ مَرْفُوْعٌ مَشْفُوْعٌ مَنْقُوْشٌ فِي اللَّوْحِ وَالْقَلَمِ سَيِّدِ الْعَرَبِ وَالْعَجَمِ جِسْمُهُ مُقَدَّسٌ مُعَطَّرٌ مُطَهَّرٌ مُنَوَّرٌ فِي الْبَيْتِ وَالْحَرَمِ شَمْسِ الضُّحىٰ بَدْرِ الدَّجىٰ صَدْرِ الْعُلىٰ نُوْرِ الْهُدٰى كَهْفِ الْوَرٰى مِصْبَاحِ الظُّلَمِ جَمِيْلِ الشِّيَمِ شَفِيْعِ الْاُمَمِ صَاحِبِ الْجُوْدِ وَالْكَرَمِ وَاللهُ عَاصِمُهُ وَجِبْرِيْلُ خَادِمُهُ وَالْبُرَاقُ مَرْكَبُهُ وَالْمِعْرَاجُ سَفَرُهُ وَسِدْرَةُ الْمُنْتَهٰى مَقَامُهُ وَقَابَ قَوْسَيْنِ مَطْلُوْبُهُ وَالْمَطْلُوْبُ مَقْصُوْدُهُ وَالْمَقْصُوْدُ مَوْجُوْدُهُ سَيِّدِ الْمُرْسَلِيْنَ خَاتَمِ النَّبِيّيْنَ شَفِيْعِ الْمُذْنَبِيْنَ اَنِيْسِ الْغَرِيْبِيْنَ رَحْمَةً لِلْعٰلَمِيْنَ رَاحَةً الْعَاشِقِيْنَ مُرَادِ الْمُشْتَاقِيْنَ شَمْسِ الْعَارِفِيْنَ سِرَاجِ السَّالِكِيْنَ مِصْبَاحِ الْمُقَرَّبِيْنَ مُحِبِّ الْفُقَرَاءِ وَالْمَسَاكِيْنَ سَيِّدِ الثَّقْلَيْنِ نَبِيِّ الْحَرَمَيْنِ اِمَامِ الْقِبْلَتَيْنِ وَسِيْلَتِنَا فِي الدَّارَيْنِ صَاحِبِ قَابَ قَوْسَيْنِ مَحْبُوْبِ رَبِّ الْمَشْرِقَيْنِ وَالْمَغْرِبَيْنِ جَدِّ الْحَسَنِ وَالْحُسَيْنِ مَوْلَانَا وَمَوْلىٰ الثَّقْلَيْنِ اَبِى الْقَاسِمِ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللهِ نُوْرٍ مِنْ نُوْرِ اللهِ يَا اَيُّهَا الْمُشْتَاقُوْنَ بِنُوْرِ جَمَالِهٖ صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيْمًا


আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা সায়্যিদিনা ওয়া মাওলানা মুহাম্মাদিন, সাহিবিত্ তাজি ওয়াল মিরাজি ওয়াল বুরাক্বি ওয়াল আলাম। দা-ফিয়িল বালা–য়ি, ওয়াল ওবা–য়ি, ওয়াল ক্বাহাতি, ওয়াল মারাদ্বি, ওয়াল আলাম। ইসমুহু মাক্বতুবুন, মারফুউন, মাশফুউন, মানকূশুন, ফিল-লাওহি ওয়াল ক্বালাম। সায়্যিদিল আরাবি ওয়াল আজম। জিসমুহু মুক্বাদ্দাসুন, মুয়াত্তারুন, মতাহ্হারুন, মুনাও-ওয়ারুন, ফিল বাইতি ওয়াল হারাম। শাসছিদ্দুহা, বদরিদ্দুজা, সাদরিল-উলা, নু-রিল হুদা, কাহফিল ওয়ারা, মিসবাহিয্ যুলাম। জামীলিশ্ শিয়ামি শাফিয়িল উমামি, সা-হিবিল জু-দি ওয়াল কারাম। ওয়াল্লাহু আছিমুহু, ওয়া জিব্রীলু খাদিমুহু, ওয়াল বুরাক্বু মারকাবুহু, ওয়াল মিরাজু ছাফারুহু, ওয়া সিদরাতুল মুন্তাহা মাক্বামুহু ওয়া ক্বাবা ক্বাওসাইনি, মাতলুবুহু ওয়াল মাতলুবু, মাক্বসুদহু ওয়াল মাক্বসুদু মাওজুদুহু, সায়্যিদিল মুরসালীনা, খা-তামিন নাবিইয়্যীনা, শাফিয়িল মুযনিবীনা, আনীছিল গারীবীনা রাহমাতাল্লিল আলামীনা, রাহাতিল আ-শিক্বীনা, মুরাদিল মুশ্তাক্বীনা, শামছিল আ-রিফীনা, সিরাজিছ্ ছা-লিকিনা, মিছবাহিল্ মুকাররাবীনা, মুহিব্বিল্ ফোক্বারায়ি– ওয়াল গোরাবায়ি, ওয়াল মাছাকীনা, সয়্যিদিছ্ ছাক্বলাইনি, নাবিয়্যিল হারামায়নি, ইমামিল ক্বিবলাতাইনি, ওয়াসীলাতিনা ফিদ্দারায়নি, ছাহিবি ক্বা-বা ক্বাওছাইনি, মাহ্বূবি রাব্বিল মাশরিকায়নি ওয়াল মাগরিবাইনি, জাদ্দিল হাসানি ওয়াল হুসাইনি (রাদ্বিআল্লাহু আন্হুমা) মাওলানা ওয়া মাওলাছ্ সাক্বলাইনি, আবিল ক্বাছিম মুহাম্মদ বিন আব্দিল্লাহি নূরিম মিন নূরিল্লাহ। ইয়া আয়য়ূহাল মুশতাকুনা বিনূরি জামালিহী সাল্লু আলায়হি ওয়া সাল্লিমূ তাসলীমা।




Next
This is the most recent post.
Previous
পুরাতন পোস্ট
 
Top