প্রশ্ন:
اَلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اَللهِ وَبَرَكاتُهُ
আমি একজন ইসলামী বোন, আমার একটি প্রশ্ন ছিল সেটি হচ্ছে, বর্তমানে যে টিউবের মেহেদী গুলো পাওয়া যায়, ইসলামিক শরীয়ত অনুযায়ী সেগুলো কি ব্যবহার করা যাবে? জানিয়ে দিলে অনেক উপকৃত হতাম।
উত্তর:
بِسْمِ اللہِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ
اَلْجَوَابُ بِعَوْنِ الْمَلِکِ الْوَھَّابِ اَللّٰھُمَّ ھِدَایَۃَ الْحَقِّ وَالصَّوَابِ
"এমন মেহেদি যা আপনার শরীরের চামড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি করে, তা ব্যবহার করা যাবে না। আর এটি শুধু মেহেদির ক্ষেত্রেই নয়, বরং নারী বা পুরুষ যে-ই হোক, কেউ যদি এমন কোনো জিনিস ব্যবহার করে যার ফলে ওযু বা গোসলের সময় পানি ঢাললে তা চামড়া পর্যন্ত পৌঁছায় না; অর্থাৎ মাঝখানে এমন একটি আস্তরণ (layer) তৈরি হয় যা পানি পৌঁছাতে বাধা দেয়, তবে সেই জিনিসটি ব্যবহার করা জায়েজ হবে না।
এখন সেটি নেইল পলিশ হোক, স্টিকারযুক্ত মেহেদি হোক, ভারী আস্তরণযুক্ত (jirm) মেহেদি হোক বা কোনো রং হোক, যেকোনো এমন জিনিস থেকেই বেঁচে থাকা জরুরি। তবে যেখানে এমনটি হবে না (অর্থাৎ পানি পৌঁছাতে বাধা দেবে না), সেখানে নারীরা মেহেদি লাগাতে পারেন।" –(সূত্র: Aurat Kis Tarah Ki Mehendi Laga Sakti Hai? | Darul Ifta AhleSunnat)
বিশেষ সতর্কতা:
ইসলামে নিজের ক্ষতি করা হারাম। অনেক টিউব মেহেদিতে তীব্র কেমিক্যাল থাকে যা চামড়ার ক্ষতি করতে পারে বা অ্যালার্জির সৃষ্টি করতে পারে। যদি নিশ্চিত জানা যায় যে কোনো নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের মেহেদি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, তবে তা ব্যবহার করা জায়েজ হবে না।
وَاللہُ اَعْلَمُ عَزَّوَجَلَّ وَرَسُوْلُہ اَعْلَم صَلَّی اللّٰہُ تَعَالٰی عَلَیْہِ وَاٰلِہٖ وَسَلَّم