ক্বওমী মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকের ধর্ষণে মৃত্যুবরণ করে ১২ বছরের কিশোরী আমেনা | ইসলামী বিশ্বকোষ ও আল-হাদিস

এই দুঃসময়েও থেমে নেই ওহাবী খবিসদের ধর্ষণ ও বলাৎকার তাণ্ডব!
-আবছার তৈয়বী


মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ধর্ষণ করার সময় মরে গেছে কিশোরী আমেনা
*****************************
আমির মাহমুদ ভুইয়া, আজকের সূর্যোদয় অনলাইন।।  ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সলিমগঞ্জে মাদরাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মোস্তফা অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার সময় মরে গেছে আমেনা।
"আমেনা মরে গেছে। ফেনীর নুসরাতের মতো ঘটনা। 
মাত্র ১২ বছরের শরীরে ৪০ বছরের লম্পট ভন্ড প্রতারক ধর্ষকের অত্যাচার - বড়ই ওজনদার!
মরে গেছে তো কি হয়েছে..?

আরো মওলানারা আছে তো, ধামাচাপা দেয়ার জন্য। তাই মাদরাসার পরিচালক ও চারজন শিক্ষক মিলে আমেনার লাশ ঝুলিয়ে দিয়েছে চিলেকোঠায়।
নিশ্চিত, এই মাদরাসার ১৫০ জন অনাবাসিক ও ৫০-জন আবাসিক ছাত্রীর প্রত্যেকে কখনো না কখনো এই হুজুর নামক জানোয়ারদের হাতে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছে.!!
ধর্ষণের শিকার হয়েছে, এই ভন্ড প্রতারক লম্পট হুজুর মানুষ নামের অমানুষদের হাতে.!

মেয়েদের জিজ্ঞেস করলেই সব সত্য বেরিয়ে আসবে।

যেকোনো সমাজেই নাগরিকদের নিষ্ক্রিয়তা এবং নির্বিকারত্ব গ্রহণযোগ্য নয় ! আমাদের দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণী এখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। শামুকের মতো নিজেদেরকে গুটিয়ে নিতে ব্যস্ত এই শ্রেণী..!!!

এই শ্রেণী থেকে বেরিয়ে হঠাৎ করে হাজার খানেক লোক দেশের মালিক বনে গেছেন.!!!

যার প্রতিফলন সমাজজীবনে দৃশ্যমান , সমাজ এতটা পচে গেছে যে এখন শিক্ষকদের কাছেও নিরাপত্তার সংকটে ছাত্রীরা।

এমন অপরাধ চলতেই থাকবে যতক্ষণ রাষ্ট্র তাদের ফাঁসিতে ঝুলানোর আইন না করবে।

কার্টেসি: খোন্দকার মোজাম্মেল হক।