মুসলিম শরীফে কলেমার বর্ণনা | ইসলামী বিশ্বকোষ ও আল-হাদিস

সম্মানিত পাঠকগণ এতক্ষণ বিভিন্ন তাফসির গ্রন্থ থেকে উদ্ধৃতি  সহকারে আলোচনা করা হয়েছে। এবার বিভিন্ন হাদিসের  কিতাব  থেকে  প্রমাণ পেশ    করব ‘লা ইলাহা  ইল্লাল্লাহু     মুহাম্মাদুর     রাসূলুল্লাহ’    পুরোটাই     কালিমার বাক্য।

মুসলিম শরীফ
=======
ইমাম        মুসিলম       রাদিয়াল্লাহু        আনহু        স্বীয়        সহিহ মুসলিমশরীফের  কিতাবুল ঈমান  অধ্যায়ে  ৮নং বাবের মধ্যে         পূর্ণ        কালিমাটি        বর্ণনা         করেছেন        দেখুন ইবারতটি-

باب  الامر  بقتال  الناس  حتى  يقولوا  لا  اله  الا  الله  محمد  رسول الله
অর্থ: অধ্যায়- লোকদের সাথে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করার নির্দেশ   যতক্ষণ   না   তারা   বলে    ‘লা   ইলাহা     ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ।’

আল আসমা ওয়াস সিফাত
=======
ইমাম   বায়হাকী রহমতুল্লাহি  আলাইহি الاسماء والصفات গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন-

عن سعيد بن المسيب  قال ان ابا هريرة اخبره ان رسول الله  صلى الله عليه وسلم  قال    انى امرت ان  اقاتل الناس  حتى يقولوا لا اله الا الله- فمن قال لا اله الا الله فقد عصم منى نفسه وماله حتى يلقى الله تعالى- وانزل الله عز وجل يذكر قوما استكبروا- انهم كانوا اذا قيل لهم لا  اله الا الله يستكبرون (الصفات ۳۵) وانزل الله- اذ جعل الذين كفروا فى قلوبهم الحمية  حمية الجاهلية- فانزل  الله سكينته على رسوله   وعلى  المؤمنين والزمهم كلمة  التقوى وكانوا  احق بها واهلها-  (الفتح  ۲٦) وهى لا اله الا الله محمد رسول الله استكبر عنها المشركون  يوم الحديبية حين دعاهم رسول الله صلى الله عليه وسلم على طول المدة

অর্থ:    হযরত    সাইদ    বিন    আল    মুসাইয়িব    বলেছেন  হযরত  আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা  করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ  সাল্লাল্লাহু আলাইহি  ওয়াসাল্লাম ইরশাদ  করেছেন    যে,    আমি    আদিষ্ট    হয়েছি    মানুষের    সাথে  ততক্ষন পর্যন্ত যুদ্ধ  করতে যতক্ষণ না তারা  বলবে, ‘লা ইলাহা  ইল্লাল্লাহু’ সে   আমার পক্ষ থেকে  তার  আত্মা  ও সম্পদকে আল্লাহর  সাথে সাক্ষাৎ পর্যন্ত   হিফাযত   করে নিল।

অতঃপর আল্লাহতা’য়ালা  একটি  অহংকারী সম্প্রদায়ের  বর্ণনাপূর্বক অবতীর্ণ করেছেন। ‘যখন তাদের বলা হত- ‘আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই’ তখন তারা ঔদ্ধত্য প্রদর্শন করত। (সাফফাত ৩৫)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন- ‘কাফেররা তাদের অন্তরে জাহেলি  যুগের   জেদ  পোষণ  করত।  অতঃপর   আল্লাহ তাঁর   রাসূল  ও  মুমিনদের   উপর   স্বীয়   প্রশান্তি   নাযিল   করলেন।     এবং     তাদের     জন্য     তাকওয়ার     কালিমা  অপরিহার্য      করে      দিলেন।     বস্তুত    তারাই    ছিল    এর  অধিকতর যোগ্য ও উপযুক্ত। (ফাতাহ ২৬)

উক্ত    আয়াতে     তাকওয়ার    কালিমা    হল    ‘লা     ইলাহা ইল্লাল্লাহু   মুহাম্মাদুর  রাসূলুল্লাহ’।  এ   কালিমা    সম্বন্ধেই মুশরিকগণ  হুদায়বিয়ার  সন্ধির  দিন  অহংকার প্রদার্শন  করেছিল।   যা   সম্পর্কে  রাসূলুল্লাহ   সাল্লাল্লাহু   আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে দীর্ঘ দিন আহ্বান করেছিলেন।